নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে আবেগঘন পোস্ট নাহিদ ইসলামের
নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:১৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা ছুটছেন ঘর থেকে ঘরে, সড়ক থেকে দোকান সবখানেই তাদের সরব প্রচারণা। ভোট টানার জন্য দিচ্ছেন বিভিন্ন আশ্বাস।
আবার অনেক প্রার্থীকে ভালোবেসে নানা উপহার দিচ্ছেন ভোটার ও ভক্তরা। এমন উপহার পাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের এমপি প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেওয়া পোস্টে নির্বাচনি প্রচারণা, প্রার্থীদের প্রতি ভোটারদের প্রত্যাশা এবং জুলাই আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন তিনি।
পোস্টে নাহিদ লিখেছেন, নির্বাচন এক নতুন অভিজ্ঞতা। প্রতিদিন ভোরে বের হই। সারাদিন হাঁটি রোদে, ধুলোয়, ভিড়ে। মানুষের সঙ্গে হাত মেলাই, কথা বলি, কথা শুনি। বক্তৃতা দিই, মসজিদে যাই। রাতে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাসায় ফিরি।
এই দীর্ঘ দিনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা হচ্ছে মানুষের ছোট ছোট উপহার। এই উপহারগুলোর ভেতর থাকে দরদ আর মমতা। কেউ চকলেট দেয়, কেউ আতর। কেউ নিজ হাতে শাপলা কলি বানিয়ে দেয়। এক বোন নিজ হাতে চুড়ি বানিয়ে দিয়েছে আমার স্ত্রীর জন্য।
কেউ কেউ হাতে বা পকেটে জোর করে কিছু টাকা গুঁজে দেয়। রাতে বাসায় এসে দুই পকেট ঝাড়লে পাওয়া যায় কিছু টাকা, আর নানা রকম উপহার— ভালোবাসার নীরব দলিল।
ওসমান হাদির প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা, তার ভাগীদার আমরাও হয়ে উঠছি। মানুষ আমাদের নিজের সন্তানের মতো দেখে, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়। ওসমান হাদীর শূন্যতা মানুষের মনে আজও পূরণ হয় নাই।
মানুষ জুলাইয়ের দিনগুলো ভোলেনি উল্লেখ করে তিনি আরও লিখেছেন, অনেকে স্মৃতিচারণ করে, বাড্ডা–রামপুরার আন্দোলন কীভাবে হয়েছিল, ব্র্যাক কিংবা কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সামনে কীভাবে ছাত্র–জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। রামপুরা ব্রিজ দখল করে রাখতো ইস্ট ওয়েস্ট ভার্সিটি, ইম্পেরিয়াল কলেজ ও আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা। এই চর্চা শুরু হয়েছিল নিরাপদ সড়ক আন্দোলন থেকে।
“ছাত্রদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল দোকানদার, চা-ওয়ালা, হকার। এলাকাবাসী আন্দোলনকারীদের ঘরে আশ্রয় দিয়েছিল, রাস্তায় পানি ও খাবার দিয়েছিল।”

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: